টু-ফ্যাক্টর সুরক্ষা
লগইনের সময় পাসওয়ার্ডের সঙ্গে দ্বিতীয় যাচাই যুক্ত করা যায়, যাতে পাসওয়ার্ড জেনে গেলেও কেউ ঢুকতে না পারে।
TrueLedgency বাংলাদেশের বিনিয়োগকারীদের জন্য তৈরি একটি স্বয়ংক্রিয় ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিনরাত ক্রিপ্টো ও আর্থিক বাজার স্ক্যান করে স্বল্পমেয়াদি প্রবণতা খোঁজে এবং আপনার নির্ধারিত সীমার মধ্যে সিদ্ধান্ত নেয়। আপনাকে নিজে গ্রাফ বিশ্লেষণ বা আলাদা করে প্রতিটি ট্রেড করতে হয় না।
ব্যক্তিগত ম্যানেজার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আপনার সঙ্গে যোগাযোগ করবেন।
অ্যাকাউন্ট খোলার মাধ্যমে আপনি আমাদের গোপনীয়তা নীতি এবং ব্যবহারের শর্তাবলী মেনে নিচ্ছেন।
এটি কার জন্য? যাঁরা চান টাকা শুধু অ্যাকাউন্টে পড়ে না থেকে সক্রিয়ভাবে কাজে লাগুক, কিন্তু ট্রেডিং শেখার বা বাজারের পেছনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকার সময় নেই। শুরুতে একজন ব্যক্তিগত ম্যানেজার আপনার সঙ্গে কথা বলে অ্যাকাউন্ট ও প্ল্যাটফর্মের সেটিংস ঠিক করে দেন। ফলাফল বাজারের গতির ওপর নির্ভর করে: লাভ হতে পারে, আবার ক্ষতিও হতে পারে।
নিচের জনপ্রিয় ক্রিপ্টো এক্সচেঞ্জগুলোর সঙ্গে এপিআই কী দিয়ে অ্যাকাউন্ট যুক্ত করে স্বয়ংক্রিয় ট্রেডিং চালানো যায়। এই নামগুলো তাদের নিজ নিজ মালিকের পণ্য; এগুলো কোনো অংশীদারিত্ব বা অনুমোদনের দাবি নয়।
কত টাকা এবং কতদিনের জন্য বিনিয়োগ করতে চান তা স্লাইডারে ঠিক করলে নিচে একটি উদাহরণ হিসাব দেখা যায়। অঙ্কগুলো আপনার অবস্থানের স্থানীয় মুদ্রায় দেখানো হয়। এটি শুধু বোঝার জন্য একটি চিত্র, কোনো পূর্বাভাস বা নিশ্চয়তা নয়।
প্ল্যাটফর্ম সাধারণত কোন ধরনের সম্পদ পর্যবেক্ষণ করে তা বোঝাতে নিচে ৫টি ক্রিপ্টোকারেন্সির ৩০ দিনের একটি নমুনা চার্ট দেওয়া হয়েছে। সংখ্যাগুলো নমুনা, কোনো লাইভ ডেটা নয়।
এই চার্ট ও মূল্য শুধুমাত্র উদাহরণ। এগুলো বাস্তব বাজারের তথ্য নয় এবং ভবিষ্যৎ ফলাফলের ইঙ্গিত নয়।
কোনো জটিল সেটআপ নেই। প্রতিটি ধাপে একজন মানুষ আপনার পাশে থাকেন।
ফর্মে নাম, ইমেইল ও মোবাইল নম্বর দিন এবং ব্যক্তিগত ম্যানেজারের কল পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।
ম্যানেজার প্ল্যাটফর্ম সেটআপে সাহায্য করেন এবং আপনার সুবিধামতো পদ্ধতিতে জমা দিতে পথ দেখান।
অভিজ্ঞ ট্রেডারদের তৈরি করা প্রস্তুত কৌশল চালু করুন, অথবা নিজের মতো করে সাজিয়ে নিন।
ড্যাশবোর্ডে ফলাফল দেখুন। যে কোনো সময় উত্তোলনের অনুরোধ করতে পারেন, প্রক্রিয়ার সময় পদ্ধতির ওপর নির্ভর করে।
অন্য প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে পাশাপাশি তুলনা। সব প্ল্যাটফর্মে ঝুঁকি আছে, এখানে শুধু সেবার ধরন তুলনা করা হয়েছে।
| সুবিধা | TrueLedgency | অন্য প্ল্যাটফর্ম |
|---|---|---|
| প্রতিটি নতুন ব্যবহারকারীর জন্য ব্যক্তিগত ম্যানেজার | ||
| বাংলা ইন্টারফেস ও টাকায় প্রদর্শিত হিসাব | ||
| বিকাশ, নগদ ও রকেটে জমা ও উত্তোলন | ||
| মাসিক সাবস্ক্রিপশন ফি ছাড়া ব্যবহার | ||
| অতিরিক্ত অস্থির বাজারে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ট্রেডিং থামানোর নিয়ম | ||
| কার্ড ও মোবাইল ওয়ালেটে ফি ছাড়া জমা | ||
| লেনদেনের ইতিহাস ও রিপোর্ট ড্যাশবোর্ডে |
নিরাপত্তা পাতায় যা বিস্তারিত লেখা আছে, তার মূল বিষয়গুলো এখানে সংক্ষেপে।
লগইনের সময় পাসওয়ার্ডের সঙ্গে দ্বিতীয় যাচাই যুক্ত করা যায়, যাতে পাসওয়ার্ড জেনে গেলেও কেউ ঢুকতে না পারে।
আপনার তথ্য সংরক্ষণে এবং স্থানান্তরের সময় এনক্রিপ্টেড থাকে।
নতুন ডিভাইস থেকে লগইন হলে ইমেইলে জানানো হয়।
শুধু পড়া ও ট্রেডের অনুমতি দিন, উত্তোলনের অনুমতি নয়।
লগইন ও সেটিং পরিবর্তনের পূর্ণ তালিকা আপনি দেখতে পারেন।
নিচের মতামতগুলো ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা। এগুলো ভবিষ্যৎ ফলাফলের পূর্বাভাস নয়, এবং আপনার ফলাফল ভিন্ন হতে পারে।
অফিসের পর চার্ট দেখার সময় পাই না, এই জায়গাটাতেই প্ল্যাটফর্মটা কাজে লেগেছে। ম্যানেজার প্রথম দিনেই সীমা ঠিক করে দিয়েছিলেন, তাই কতটা ঝুঁকি নিচ্ছি সেটা পরিষ্কার ছিল। সাপ্তাহিক রিপোর্টে প্রতিটি লেনদেন দেখে নিই।
সবচেয়ে কম অঙ্ক দিয়ে শুরু করেছিলাম। ইন্টারফেস বাংলায় ও সহজ, তাই বুঝতে অসুবিধা হয়নি।
আমার বয়সে নতুন প্রযুক্তি শেখা সহজ নয়, কিন্তু ম্যানেজার ফোনে ধাপে ধাপে বুঝিয়ে দিয়েছেন। বিকাশে জমা দিয়েছি, তুলেছিও বিকাশে। দাম নেমে যাওয়ার সময় স্বয়ংক্রিয়ভাবে লেনদেন থেমে যাওয়ার ব্যবস্থাটা আমার পছন্দ হয়েছে।
শিফটের চাকরিতে নিয়মিত বাজার দেখা অসম্ভব। বছরজুড়ে কিছু মাসে লোকসানও দেখেছি, তাই আমি বড় অঙ্ক ঢালিনি। ড্যাশবোর্ডে সব হিসাব স্পষ্ট থাকে, এটাই ভরসা।
এক মাসে যা দেখলাম তা আমার জন্য যথেষ্ট ছিল বোঝার জন্য। কৌশল বদলানোর অপশন আছে, তবে নতুনদের জন্য ম্যানেজারের সঙ্গে কথা বলে বদলানোই ভালো।
ছেলের পরামর্শে শুরু করেছিলাম। প্রথমে ভয় ছিল, কিন্তু সহায়তা দল প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর দিয়েছে। উত্তোলনের অনুরোধ করার পর টাকা নগদে ঠিক সময়ে পৌঁছেছে।
প্রতিটি মতামত সংশ্লিষ্ট ব্যবহারকারীর নিজস্ব। অতীতের ফলাফল ভবিষ্যতের নিশ্চয়তা দেয় না এবং বিনিয়োগে মূলধন হারানোর ঝুঁকি আছে।
TrueLedgency এমন একটি প্রযুক্তিগত প্ল্যাটফর্ম যা বাজার বুঝতে এবং স্বয়ংক্রিয় ট্রেডিং সেটআপ করতে সাহায্য করে। আমরা স্বচ্ছতা, স্পষ্টতা ও নিরাপত্তাকে গুরুত্ব দিই।
ম্যানেজার ও সহায়তা দল ইমেইল ও কলব্যাকে সবসময় পাওয়া যায়। প্রশ্ন যত ছোটই হোক, উত্তর পাবেন একজন মানুষের কাছ থেকে।
প্ল্যাটফর্মের রিপোর্ট ও বিজ্ঞপ্তি বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী আসে, তাই রাতে বা ভোরে কী ঘটল তা সকালে সহজে বোঝা যায়।
বিকাশ, নগদ, রকেট, কার্ড ও ব্যাংক ট্রান্সফারে টাকায় জমা দেওয়া যায়। ফি ও সময়সীমা আগেই লেখা থাকে।
কতটা মূলধন ব্যবহার হবে, কোন সম্পদে ট্রেড হবে এবং কখন থামবে, এই সীমাগুলো আপনি ঠিক করেন এবং যে কোনো সময় বদলাতে পারেন।
ফর্মটি পূরণ করতে এক মিনিটের মতো লাগে। এরপর ব্যক্তিগত ম্যানেজার আপনাকে ফোন করে সব বুঝিয়ে দেবেন।
ব্যক্তিগত ম্যানেজার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আপনার সঙ্গে যোগাযোগ করবেন।
অ্যাকাউন্ট খোলার মাধ্যমে আপনি আমাদের গোপনীয়তা নীতি এবং ব্যবহারের শর্তাবলী মেনে নিচ্ছেন।
না, আলাদা অভিজ্ঞতা লাগে না। প্ল্যাটফর্মটি এমনভাবে তৈরি যাতে নতুন ব্যবহারকারীও ব্যক্তিগত ম্যানেজারের সহায়তায় শুরু করতে পারেন। তবে অভিজ্ঞতা না থাকা মানে ঝুঁকি না থাকা নয়, মূলধনের ক্ষতি হতে পারে।
ফর্ম পূরণ করলে আপনার অ্যাকাউন্ট তৈরি হয় এবং একজন ব্যক্তিগত ম্যানেজার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আপনার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তিনি প্ল্যাটফর্ম সেটআপ, জমার পদ্ধতি ও পরবর্তী ধাপ বুঝিয়ে দেন।
TrueLedgency বাংলাদেশের প্রযোজ্য আইন ও নিয়ন্ত্রক কাঠামো মেনে কাজ করে। কোন সংস্থার কোন বিধান কীভাবে প্রযোজ্য তার বিস্তারিত লাইসেন্স ও নিয়ন্ত্রণ পাতায় দেওয়া আছে।
সময় নির্ভর করে আপনার বেছে নেওয়া পদ্ধতির ওপর। মোবাইল ওয়ালেটে সাধারণত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে, কার্ড ও ব্যাংকে ১ থেকে ৫ কর্মদিবস লাগে। প্রতিটি পদ্ধতির সময় জমা ও উত্তোলন পাতায় লেখা আছে।
হ্যাঁ, সম্ভব। ক্রিপ্টোকারেন্সি ও অন্যান্য সম্পদের দাম দ্রুত ওঠানামা করে এবং বিনিয়োগকৃত অর্থের আংশিক বা পুরোটাই হারাতে পারেন। শুরুর আগে ঝুঁকি প্রকাশ পাতাটি পড়ে নিন।