আপনার করণীয়: প্রতিদিনের নিরাপত্তা অভ্যাস
আমাদের ব্যবস্থা যতই শক্ত হোক, বেশিরভাগ অ্যাকাউন্ট দখলের ঘটনা ঘটে ব্যবহারকারীর দিক থেকে কোনো একটি ছোট ফাঁক দিয়ে। নিচের অভ্যাসগুলো সেই ফাঁক বন্ধ করে।
- প্রতিটি সেবার জন্য আলাদা পাসওয়ার্ড। একই পাসওয়ার্ড একাধিক সাইটে ব্যবহার করলে একটি সাইটের ফাঁস সব অ্যাকাউন্টকে ঝুঁকিতে ফেলে। পাসওয়ার্ড ম্যানেজার ব্যবহার করা ভালো।
- ডিভাইস হালনাগাদ রাখুন। ফোন ও কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেম ও ব্রাউজার নিয়মিত আপডেট করুন এবং নির্ভরযোগ্য সূত্র ছাড়া অ্যাপ ইনস্টল করবেন না।
- লিঙ্ক নয়, ঠিকানা মিলিয়ে দেখুন। ইমেইল বা মেসেজের লিঙ্ক থেকে নয়, সরাসরি https://trueledgency.org ঠিকানা লিখে বা বুকমার্ক থেকে প্রবেশ করুন।
- স্ক্রিন শেয়ার ও রিমোট অ্যাক্সেস এড়িয়ে চলুন। কেউ সহায়তার নামে আপনার স্ক্রিন দেখতে চাইলে বা অ্যাপ ইনস্টল করতে বললে তা প্রত্যাখ্যান করুন।
আমাদের অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থা
প্ল্যাটফর্মের সার্ভারে প্রবেশাধিকার ভূমিকা অনুযায়ী সীমাবদ্ধ, অর্থাৎ একজন কর্মী শুধু সেই তথ্য দেখতে পারেন যা তার কাজের জন্য প্রয়োজন। গ্রাহকের তথ্যে প্রতিটি প্রবেশ নথিবদ্ধ হয় এবং নিয়মিত পর্যালোচনা করা হয়। নতুন কোড প্রকাশের আগে নিরাপত্তা পরীক্ষা ও পর্যালোচনা বাধ্যতামূলক। ব্যাকআপ আলাদা স্থানে এনক্রিপ্ট করে রাখা হয় যাতে কোনো সমস্যায় সেবা দ্রুত পুনরুদ্ধার করা যায়।
আমাদের কর্মীদের প্রতি বছর নিরাপত্তা সচেতনতা ও ডেটা সুরক্ষার প্রশিক্ষণ নিতে হয়, বিশেষ করে ফিশিং শনাক্তকরণ এবং গ্রাহকের তথ্য সামলানোর নিয়মে। কোনো ঘটনা ঘটলে তা থেকে শেখা বিষয়গুলো পরবর্তী প্রক্রিয়ায় যুক্ত করা হয়।
নিরাপত্তায় সীমাবদ্ধতা
আমরা যুক্তিসঙ্গত সব প্রযুক্তিগত ও সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিই, তবে ইন্টারনেটভিত্তিক কোনো সেবাই ঝুঁকিমুক্ত নয়। তৃতীয় পক্ষের এক্সচেঞ্জ, মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংকের নিরাপত্তা আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। তাই যে অর্থ আপনি হারাতে রাজি নন, তা কখনও বিনিয়োগ করবেন না এবং বিস্তারিত জানতে ঝুঁকি প্রকাশ পাতাটি পড়ুন।
সন্দেহ হলে প্রথম পাঁচ মিনিটে যা করবেন
অ্যাকাউন্টে অপরিচিত কিছু দেখলে প্রথমে পাসওয়ার্ড বদলান এবং সব সেশন বন্ধ করুন। তারপর এক্সচেঞ্জে গিয়ে এপিআই কী মুছে ফেলুন। সবশেষে আমাদের [email protected] ঠিকানায় ঘটনার সময় ও বিবরণসহ জানান। এই ক্রমটি মানলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ক্ষতি সীমিত রাখা যায়। যদি আপনার মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংকের তথ্যও ফাঁস হয়েছে বলে মনে হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের হটলাইনে অবিলম্বে যোগাযোগ করে কার্ড বা অ্যাকাউন্ট সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিন।
মনে রাখবেন, আমাদের কোনো কর্মী আপনার পাসওয়ার্ড, ২এফএ কোড বা ব্যাকআপ কোড কখনও চাইবেন না। এমন অনুরোধ এলে সেটিকে প্রতারণা ধরে নিন এবং আমাদের জানান।