প্রথম দিন
অ্যাকাউন্ট, ২এফএ ও এপিআই সংযোগ সম্পন্ন করুন। এখনই বেশি অঙ্ক লাগানোর তাড়া নেই।
এই গাইড শেষ করলে আপনি জানবেন কীভাবে TrueLedgency অ্যাকাউন্ট খুলতে হয়, এক্সচেঞ্জের সঙ্গে নিরাপদে যুক্ত করতে হয়, বাজার পর্যবেক্ষণ সেট করতে হয় এবং ড্যাশবোর্ড থেকে সব কিছু নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। কোনো আগের অভিজ্ঞতার দরকার নেই, প্রতিটি ধাপ একে একে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
পুরো প্রক্রিয়ায় চারটি ধাপ আছে এবং প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত সাধারণত একটি বা দুটি বসায় শেষ হয়। যেখানে আটকে যাবেন, ব্যক্তিগত ম্যানেজার ফোনে বা ইমেইলে সাহায্য করবেন।
হোম পাতা বা অ্যাকাউন্ট খোলার পাতায় আপনার নাম, ইমেইল ও মোবাইল নম্বর দিয়ে ফর্মটি পূরণ করুন। নম্বরটি এমন হতে হবে যা আপনি ব্যবহার করেন, কারণ ব্যক্তিগত ম্যানেজার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এই নম্বরেই কল করবেন। ইমেইল ঠিকানাটিও সঠিক ও নিজের নিয়ন্ত্রণে থাকা দরকার, কারণ নিরাপত্তা বিজ্ঞপ্তি ও পাসওয়ার্ড পুনরুদ্ধারের লিঙ্ক সেখানেই যাবে।
স্বয়ংক্রিয় ট্রেডিং চালাতে প্ল্যাটফর্মকে আপনার এক্সচেঞ্জ অ্যাকাউন্টের সঙ্গে যুক্ত করতে হয়। এটি করা হয় এপিআই কী দিয়ে। এক্সচেঞ্জে নিজের অ্যাকাউন্টের এপিআই ব্যবস্থাপনা অংশে গিয়ে নতুন কী তৈরি করুন এবং সেই কী ও সিক্রেট TrueLedgency ড্যাশবোর্ডের সংযোগ ফর্মে বসান। ম্যানেজার চাইলে এই ধাপে ফোনে সঙ্গে থাকবেন।
কী তৈরির সময় অনুমতি দিন শুধু "তথ্য পড়া" ও "ট্রেড করা"। কখনও "উত্তোলন" অনুমতি দেবেন না। সম্ভব হলে এক্সচেঞ্জের সেটিংয়ে আমাদের আইপি ঠিকানা সাদা তালিকায় যোগ করুন। এপিআই কী কারও সঙ্গে শেয়ার করবেন না, এমনকি আমাদের কর্মীর সঙ্গেও নয়।
এখন ঠিক করুন প্ল্যাটফর্ম কোন বাজার পর্যবেক্ষণ করবে। আপনি ট্রেডিং পেয়ার (যেমন BTC/USDT), পর্যবেক্ষণের শর্ত, প্রতি ট্রেডে ব্যবহারযোগ্য মূলধনের শতাংশ এবং মোট ক্ষতির সীমা নির্ধারণ করবেন। শুরুতে প্রস্তুত কৌশল বেছে নেওয়াই সহজ, কারণ সেগুলোতে সীমাগুলো আগে থেকে সাজানো থাকে এবং পরে আপনি নিজের মতো বদলাতে পারেন।
ড্যাশবোর্ডের পাশের মেনুতে আছে রিপোর্ট, অডিট ইতিহাস, নিরাপত্তা সেটিং ও উত্তোলন অংশ। প্রথম সপ্তাহে রিপোর্ট বিভাগের "লেনদেনের সারসংক্ষেপ" দেখার অভ্যাস করুন, কারণ সেখানে প্রতিটি ট্রেডের সময়, দাম ও ফলাফল সংক্ষেপে পাওয়া যায়।
ড্যাশবোর্ডে আপনি চলমান কৌশল, খোলা অবস্থান, এ পর্যন্তের ফলাফল ও লেনদেনের ইতিহাস এক জায়গায় দেখতে পাবেন। যে কোনো সময় কৌশল থামানো, শুরু করা বা সেটিং বদলানো যায়। সাপ্তাহিক রিপোর্ট ইমেইলে পাঠানো হয় এবং তাতে প্রতিটি লেনদেনের সারসংক্ষেপ থাকে।
স্বয়ংক্রিয় মানে নজর না রাখা নয়। অন্তত সপ্তাহে একবার ড্যাশবোর্ডে ঢুকে ফলাফল, সীমা ও সতর্কবার্তা দেখুন এবং কিছু অস্বাভাবিক মনে হলে ম্যানেজারের সঙ্গে কথা বলুন।
স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থায় কোন সিদ্ধান্ত আপনার, আর কোনটি সফটওয়্যারের, তা পরিষ্কার জানা থাকলে আস্থা ও নিরাপত্তা দুটোই বাড়ে।
| বিষয় | আপনি ঠিক করেন | প্ল্যাটফর্ম করে |
|---|---|---|
| মূলধন | কত অঙ্ক বরাদ্দ করবেন | বরাদ্দের সীমার মধ্যে থাকে |
| সম্পদ | কোন ট্রেডিং পেয়ার ব্যবহার হবে | নির্বাচিত পেয়ার পর্যবেক্ষণ করে |
| ঝুঁকি | প্রতি ট্রেডে ও মোট সর্বোচ্চ ক্ষতি | সীমা ছাড়ালে থেমে যায় |
| সময় | কখন চালু বা বন্ধ হবে | চালু অবস্থায় নিয়ম অনুযায়ী কাজ করে |
| পর্যালোচনা | রিপোর্ট দেখা ও সেটিং বদলানো | রিপোর্ট ও সতর্কতা পাঠায় |
উপরের দিকে আপনার মোট অবস্থার সারাংশ থাকে: বরাদ্দ মূলধন, বর্তমান মূল্য ও সময়ভিত্তিক পরিবর্তন। তার নিচে চলমান কৌশলের তালিকা, প্রতিটির অবস্থা ও সাম্প্রতিক ট্রেড দেখা যায়। পাশের মেনুতে রিপোর্ট, অডিট ইতিহাস, নিরাপত্তা সেটিং ও উত্তোলন অংশ আছে। কোনো অংশ বুঝতে অসুবিধা হলে ম্যানেজারকে স্ক্রিনের একটি ছবি পাঠিয়ে প্রশ্ন করতে পারেন।
নিচের কোনো পরিস্থিতিতে অপেক্ষা না করে ম্যানেজার বা সহায়তা দলকে জানান: ড্যাশবোর্ডে এমন লেনদেন দেখলে যা আপনি চেনেন না, কৌশল আপনার সেট করা সীমার বাইরে কাজ করছে মনে হলে, অথবা আপনার কোনো নিরাপত্তা বার্তা নিয়ে সন্দেহ হলে। দ্রুত জানালে ক্ষতি সীমিত রাখা অনেক সহজ হয়। ছোট প্রশ্নও করতে দ্বিধা করবেন না, কারণ শুরুতে সঠিক ধারণা পরে বড় ভুল এড়ায়।
প্ল্যাটফর্ম কোনো ফলাফলের নিশ্চয়তা দেয় না। বাজারের গতি বদলাতে পারে এবং আপনার বিনিয়োগকৃত অর্থের আংশিক বা পুরোটাই হারানোর ঝুঁকি আছে। প্রস্তুত কৌশল বা অতীতের ফলাফল ভবিষ্যতের গ্যারান্টি নয়।
আপনি কোন সিদ্ধান্ত নেবেন তার দায়িত্ব আপনার নিজের। কত অঙ্ক বিনিয়োগ করবেন, কোন কৌশল চালাবেন এবং কখন থামাবেন, এই সিদ্ধান্তগুলো আপনার আর্থিক অবস্থা ও ঝুঁকি সহ্য করার ক্ষমতার ওপর নির্ভর করে। দ্বিধা থাকলে ছোট অঙ্ক দিয়ে শুরু করুন এবং ঝুঁকি প্রকাশ পাতাটি পড়ুন।
অভিজ্ঞতা ছাড়াই শুরু করা সম্ভব, কিন্তু অভিজ্ঞতার অভাব মানে ঝুঁকির অভাব নয়।
নতুনরা সাধারণত প্রথম সপ্তাহে একই প্রশ্নগুলোর মুখোমুখি হন। নিচের ছোট তালিকা সেগুলোর উত্তর দিতে সাহায্য করবে।
অ্যাকাউন্ট, ২এফএ ও এপিআই সংযোগ সম্পন্ন করুন। এখনই বেশি অঙ্ক লাগানোর তাড়া নেই।
শুধু পর্যবেক্ষণ করুন। কৌশল কী কী ট্রেড করছে এবং তা কেন করছে তা ড্যাশবোর্ডে দেখে বুঝুন।
সাপ্তাহিক রিপোর্ট পড়ুন এবং ম্যানেজারের সঙ্গে ফলাফল ও সীমা নিয়ে কথা বলুন।
এক মাস পর ফলাফল ও আপনার অভিজ্ঞতা একসঙ্গে পর্যালোচনা করুন। ফল প্রত্যাশার চেয়ে কম হলে অঙ্ক বাড়াবেন না। বরং কৌশল, সীমা ও ঝুঁকির মাত্রা ম্যানেজারের সঙ্গে আবার দেখে নিন। ফল ভালো হলেও অতি আত্মবিশ্বাসে ঝুঁকি বাড়ানো থেকে সতর্ক থাকুন, কারণ বাজার যেকোনো সময় ঘুরতে পারে।
এরপর নিয়মিত একটি রুটিন তৈরি করুন: সপ্তাহে একবার রিপোর্ট, মাসে একবার সীমা পর্যালোচনা এবং প্রতি তিন মাসে নিরাপত্তা সেটিং হালনাগাদ। এই ছোট অভ্যাসগুলো দীর্ঘমেয়াদে বড় পার্থক্য আনে।
ফর্ম পূরণ করলেই ম্যানেজার আপনার সঙ্গে যোগাযোগ করবেন।